নিজস্ব প্রতিবেদক
ভিডিওধারণ করায় খুন হন সাংবাদিক তুহিন, দাবি পুলিশের
প্রথম ব্রাহ্মণবাড়িয়া :সম্পাদক ও প্রকাশক
•
0
নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ উত্তর) মো. রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়— এক নারী ও বাদশা মিয়া নামে এক পুরুষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা চলছিল। বাদশা একপর্যায়ে ওই নারীকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এরপর নারীর পূর্ব পরিচিত ৪-৫ জন যুবক চাপাতি হাতে এসে ওই পুরুষকে কোপানোর চেষ্টা করে। বাদশা মিয়া পালিয়ে যান এবং পরে জয়দেবপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাওয়া যায়।
এই ঘটনার সময় সাংবাদিক তুহিন মোবাইল ফোনে পুরো দৃশ্যটি ধারণ করছিলেন। ভিডিও ধারণের বিষয়টি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা তুহিনকে থামাতে চেষ্টা করে, ভিডিও ডিলিট করতে বলে। তিনি অস্বীকৃতি জানালে তাকে ঘটনাস্থলেই কুপিয়ে হত্যা করে।
জানা গেছে, গাজীপুর নগরের বাসন, ভোগরা ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি চক্র আছে, যারা ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। হামলাকারীরা ওই চক্রেরই সদস্য।
ডিসি রবিউল হাসান বলেন, ‘সাংবাদিক তুহিনকে হত্যার কারণ ছিল ঘটনাটির ভিডিও করা। একজন বাদশা মিয়াকে কোপাতে গেলে, তুহিন তা মোবাইলে ধারণ করছিলেন। সেই কারণেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পেছনে আপাতত অন্য কোনো মোটিভ পাওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে।’
ইতোমধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। ঘটনাস্থলের আশেপাশের দোকান ও বাসার নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া
Our website uses cookies to improve your experience. Learn more
Ok