Previous
Next

সর্বশেষ

নরসিংদীর পলাশে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘ/বদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গ্রেফতার এক

নরসিংদীর পলাশে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘ/বদ্ধ ধ*র্ষ*ণ, গ্রেফতার এক


 নরসিংদীর পলাশে এক কিশোরীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে হাফিজুর রহমান(২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার সানেরবাড়ী গ্রাম থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত হাফিজুর রহমান ওই গ্রামের আব্দুস সাক্তারের ছেলে।

পুলিশ জানায়,গতকাল বুধবার সন্ধায় ভুক্তভোগী ওই কিশোরী একই গ্রামের তার বান্ধবীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সানের বাড়ীর আতসীপাড়া গ্রামের রাস্তা দিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে ওই গ্রামে অর্জুন বাদশা ও হাফিজুর তাকে পথরোধ করে জোরপুর্ব্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা। পরে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর পরিবার থানায় এসে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

পলাশ থানার ওসি (তদন্ত)মো: কুতুবুল আলম জানান, প্রাথমিক ভাবে ধর্ষণের আলামত পায় পুলিশ। অপর আসামীকেও গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।

মোহাম্মদপুরে থামছে না সহিংসতা, ৪ দিনের ব্যবধানে ফের খুন

মোহাম্মদপুরে থামছে না সহিংসতা, ৪ দিনের ব্যবধানে ফের খুন


 রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সহিংসতা যেন থামছেই না। চার দিনের ব্যবধানে আবারও এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বাড়ছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মোহাম্মদপুরের সাদেক খানের ইটাখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আসাদুল হক (২৮), যিনি ‘লম্বু আসাদুল’ নামে পরিচিত।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকার তিনরাস্তা থেকে হাজারীবাগ যাওয়ার পথে সাদেক খানের ইটাখোলা এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় আসাদুলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এডিসি জুয়েল রানা জানান, নিহত আসাদুল বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কালনা এলাকার বাসিন্দা। তিনি মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিং এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এর আগে, গত ১২ এপ্রিল একই এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘এলেক্স ইমন’ গ্রুপের প্রধান ইমন ওরফে এলেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরপর দুই হত্যাকাণ্ডে মোহাম্মদপুর এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সূত্র কালবেলা 

ইরানের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বার্তা দিল সৌদি আরব

ইরানের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বার্তা দিল সৌদি আরব


 সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর সামরিক চাপ কমাতে এবং আলোচনায় ফিরে যেতে আহ্বান জানিয়েছে। দেশটি বলছে, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হতে পারে। 

গালফ অঞ্চলের কূটনীতিকদের বরাতে বুধবার (১৫ এপ্রিল) ডেইলি টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ওয়াশিংটনকে ইরানি বন্দরের ওপর আরোপিত নৌ-নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সৌদি আরবের এই চাপ প্রয়োগের পেছনে বড় উদ্বেগ রয়েছে। কেননা তেহরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের প্রতিশোধ নেয়, তাহলে তারা ইয়েমেনে থাকা তাদের মিত্র হুথি বিদ্রোহীদের দিয়ে বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে। এই প্রণালিটি লোহিত সাগরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ জলপথ। এর মধ্য দিয়ে সৌদি আরবের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে সুখবর দিয়েছে ইরান। দেশটি ওমান সংলগ্ন হরমুজ প্রণালির দিক দিয়ে জাহাজগুলোকে কোনো হামলার ঝুঁকি ছাড়া অবাধে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় উত্থাপিত একটি প্রস্তাবের অংশ হিসেবে এমন প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


সূত্র জানিয়েছে, যদি নতুন করে সংঘাত ঠেকাতে একটি চূড়ান্ত চুক্তি হয় তাহলে এই ছাড় দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহে সবচেয়ে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হয়।

রয়টার্স জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর থেকে শত শত ট্যাঙ্কার ও অন্যান্য জাহাজ এবং প্রায় ২০ হাজার নাবিক উপসাগরের ভেতরে আটকে পড়েছে। এরপর গত ৮ এপ্রিল একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে। তবে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।


তেহরানঘনিষ্ঠ ওই সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, ইরান প্রণালির ওমান-নিয়ন্ত্রিত পাশ দিয়ে জাহাজগুলোকে কোনো বাধা ছাড়াই চলতে দিতে প্রস্তুত হতে পারে। তবে সূত্রটি জানায়নি, ইরান ওই অংশে যদি কোনো মাইন বসিয়ে থাকে, তা সরাতে রাজি হবে কি না কিংবা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজগুলোকেও অবাধ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে কি না।

সূত্র আরও জানিয়েছে, এই প্রস্তাবটি ওয়াশিংটন ইরানের দাবি পূরণে কতটা রাজি হয় তার ওপর নির্ভর করছে। এটি যে কোনো সম্ভাব্য অগ্রগতির ক্ষেত্রে মূল শর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

খালেদা জিয়া এ তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করতে দুই সম্পাদক চাপ দিয়েছিলেন

খালেদা জিয়া এ তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করতে দুই সম্পাদক চাপ দিয়েছিলেন


 এক-এগারোর অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী মুখ খুলেছেন। গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এক এগারোতে তার ভূমিকা, তার সঙ্গে তৎকালীন সেনাপ্রধানের মতবিরোধ এবং এক্সিট প্ল্যান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। একাধিক গোয়েন্দা সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেছেন, সেনাবাহিনী বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের পক্ষে ছিলেন না।

কিন্তু সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বিশেষ করে, দুই সম্পাদক তাদের গ্রেপ্তারের জন্য রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সমঝোতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এই সমঝোতার কারণেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তাকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বহাল রাখে।

ব্রিগেডিয়ার বারী এবং আমিনকে বিদেশে যেতে দেওয়া হয়, সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল মইনকে বহাল রাখা হয়। উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৪ মার্চ পল্টন মডেল থানার মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত। পরবর্তীতে গত ২৯ মার্চ দ্বিতীয় দফায় তার ফের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ৪ এপ্রিল তৃতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। সবশেষ গত ৭ এপ্রিল পল্টন মডেল থানার মামলায় তিন দফায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিন দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ১১ এপ্রিল এক-এগারোর আলোচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।  গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক কর্মকর্তা জানান, তাকে মূলত ২০০৭ সালের এক এগারোর ষড়যন্ত্র নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।সেনাপ্রধান হতে না পারার ক্ষোভ থেকেই বিএনপি বিরোধী অবস্থান : প্রায় তিন সপ্তাহের জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং এক এগারোর ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ এস্কান্দার, মইন উ আহমেদ এবং তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে একসঙ্গে কমিশন করেন। এটা ছিল বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির প্রথম ব্যাচ। কমিশনের পর তিনি (জেনারেল মাসুদ) কিছুদিন রক্ষীবাহিনীতে প্রেষণে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় রক্ষীবাহিনী গঠন করা হয়েছিল। অনেক সেনাসদস্যকে রক্ষীবাহিনীতে সংযুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এটাই তার পেশাগত জীবনে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়ায় বলে দাবি করেন জেনারেল মাসুদ। তিনি বলেন, ২০০৫ সালের মে মাসে নতুন সেনাপ্রধান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তিনি বলেন, সেনাপ্রধান হওয়ার জন্য আমিই ছিলাম সবচেয়ে যোগ্য। কিন্তু বিএনপি সরকার তার বদলে সাতজনকে টপকে জেনারেল মইন উ আহমেদকে সেনাপ্রধান করে। মাসুদ এটা মেনে নিতে পারেননি। এখান থেকেই তার মধ্যে বিএনপির প্রতি ক্ষোভ শুরু হয়। মাসুদ সুযোগ খুঁজতে থাকেন।

একটি টেলিফোন পাল্টে দেয় সবকিছু : মাসুদ উদ্দিন বলেন, ২০০৬ সালের শুরু থেকেই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে। তখন তিনি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশন অর্থাৎ নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি। নানা কারণেই এই ডিভিশনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই ডিভিশনকে বলা হয়, সেনাবাহিনীর অন্যতম স্তম্ভ। মাসুদ বলেন, এ সময়ে তিনি একজন সম্মানিত সম্পাদকের ফোন পান। ইংরেজি দৈনিকের এই সম্পাদক তার সঙ্গে একান্তে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। মাসুদ বলেন, সাভার সেনানিবাসে তাকে আমন্ত্রণ জানালে তিনি রাজি হননি। তিনি আমাকে গুলশানের একটি বাসায় নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। আমি তার প্রস্তাব গ্রহণ করি। মাসুদ বলেন, ২০০৬ এর অক্টোবরে গুলশানে একজন শিল্পপতির বাসায় আমি সস্ত্রীক যাই। ওই শিল্পপতি দুটি প্রভাবশালী সংবাদপত্রের মালিক। সেখানে আমি আরও কয়েকজন সুশীল সমাজের প্রতিনিধির সঙ্গে পরিচিত হই। তাদের মধ্যে বাংলা দৈনিকের সম্পাদক, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, লেখক এবং বুদ্ধিজীবী ছিলেন। সেখানে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে দুই সম্পাদক এবং একজন স্বনামধন্য বুদ্ধিজীবী আমার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অংশ নেন। মাসুদ দাবি করেন, এই আলোচনায় রাজনৈতিক সংকটে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। জেনারেল মাসুদ গোয়েন্দাদের কাছে দাবি করেছেন, আমি তিনজনকেই বলি সেনাবাহিনী চলে চেইন অব কমান্ডে, তাই এ বিষয়ে সেনাপ্রধানের সঙ্গে তাদের আলোচনা করা উচিত। তারা মাসুদকে জানান, সেনাপ্রধানের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। তিনি আপনার ভূমিকা নিয়ে নিশ্চিত নন। মাসুদ বলেন, এ সময় আমি বলি সেনাপ্রধান সেনাবাহিনী এবং দেশের স্বার্থে যে সিদ্ধান্ত নেবে আমি তা পালন করব।

সেনাপ্রধানের ফোন : রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ওই নৈশভোজের এক দিন পরই সেনাপ্রধান আমাকে ফোন করেন এবং জরুরি বৈঠকের জন্য সেনা সদরে আসতে বলেন। মাসুদ বলেন, মইন তার ভালো বন্ধু হলেও সেনাপ্রধান হওয়ার পর তার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। তবে সেনা সদরের বৈঠকে তাদের দূরত্ব কমে যায়। ওই বৈঠকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। মইন তাকে জানান যে, আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করবে না। মাসুদ এই তথ্য বিশ্বাস করেননি। তিনি বলেন, ২২ জানুয়ারির নির্বাচন যদি আওয়ামী লীগ বর্জন করে তাহলে সেনাপ্রধান যে সিদ্ধান্ত নেবে তা আমি মেনে নেব। মাসুদ বলেন, এরপর দ্রুত পরিস্থিতি পাল্টাতে থাকে। রিমান্ডে তিনি বলেন, ৮ জানুয়ারি সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে আমরা ইয়াজউদ্দিনের সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করি। মাসুদ দাবি করেন, সেনাবাহিনীতে তিনি সেনাপ্রধানের চেয়ে জনপ্রিয় ছিলেন। এজন্য এক এগারোর সময় তাকে সামনে রেখে মইন সবকিছু করেছিলেন।

সুশীলদের চাপে বেগম জিয়া, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানকে গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত : রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন দাবি করেন যে, তিনি নিজে বা সেনাবাহিনী বেগম জিয়ার পরিবারকে গ্রেপ্তার করার পক্ষে ছিলেন না। কোর কমান্ডের বৈঠকে তাদের গৃহবন্দি অথবা বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বিশেষ করে, দুই সম্পাদক তাদের গ্রেপ্তারের জন্য রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করে। মাসুদ দাবি করেন, আমি তাদের বলেছিলাম, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীতে অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁকে আপামর সেনা সদস্যরা শ্রদ্ধা করে। জিয়া পরিবারকে গ্রেপ্তার করা হলে সেনাবাহিনীতে অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, দুই নেত্রীকে না সরালে দেশে রাজনৈতিক সংস্কার অসম্ভব। মাসুদ বলেন, আমি তখন দুই সম্পাদকে এ বিষয়ে জনমত তৈরি করতে বলেছিলাম। এরপর দুই নেত্রীর বিরুদ্ধে দুটি সংবাদপত্র একাধিক সংবাদ প্রকাশ করে।

মইনের সঙ্গে আবার বিরোধ : রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ দাবি করেছেন যে, রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে সেনাপ্রধানের সঙ্গে তার মতবিরোধ দেখা দেয়। এক এগারোর মাঝামাঝি সময়ে মইন এরশাদের মতো রাজনৈতিক দল গঠন করে ক্ষমতা দখল করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। এজন্য তিনি ফেরদৌস আহমদ কোরেশীর নেতৃত্বে একটি কিংস পার্টি গঠন করেন। মাসুদ গোয়েন্দাদের বলেছেন, কখনোই আমি রাজনৈতিক দল গঠনের পক্ষে ছিলাম না। এর পরই তিনি নিজেকে গুটিয়ে নেন বলে জানান।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা : রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ উদ্দিন দাবি করেছেন, ২০০৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিনি এক এগারোর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। তারপর তিনি নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন বলে দাবি করেন। এরপর তিনি রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তার কাজে অনিয়ম, বাধা দেওয়ায় প্রকৌশলীকে বাঁশ দিয়ে ধাওয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তার কাজে অনিয়ম, বাধা দেওয়ায় প্রকৌশলীকে বাঁশ দিয়ে ধাওয়া


 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে পরিদর্শনে যান উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা তরিকুল ইসলাম। এ সময় ঠিকাদার তাকে বাঁশ নিয়ে তাড়া করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা যায়, সম্প্রতি উপজেলার মেরকুটা থেকে শিবপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। সড়কটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু করেন স্থানীয় ঠিকাদার লোকমান হোসেন। গতকাল রোববার এলাকাবাসী কাজে অনিয়মের অভিযোগে বাধা প্রদান করেন। খবর পেয়ে সোমবার এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ উপসহকারী প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় উপসহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলামের সঙ্গে ঠিকাদার লোকমান হোসেনের বাগ-বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে লোকমান হোসেন উত্তেজিত হয়ে বাঁশ নিয়ে ওই কর্মকর্তাকে মারধর করার জন্য ধাওয়া করেন।

নবীনগর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফেরদৌস আলী জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এলজিইডির নবীনগর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম নবীনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন।

এদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও এবং অভিযোগ সম্পর্কে জানতে অভিযুক্ত ঠিকাদার লোকমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হামলার ঘটনায় যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


মুরগির বিষ্ঠার ভাগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

মুরগির বিষ্ঠার ভাগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় ককটেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে। একটি কোম্পানির মুরগির বিষ্ঠার ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এ সংঘর্ষ ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের কাহালগাঁও বাজারে এই সংঘর্ষ ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কাহালগাঁও বাজারের পাশে দীর্ঘদিন ধরে সিপি বাংলাদেশ কোম্পানি লেয়ার মুরগি পালন করে আসছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় আ.লীগ নেতাকর্মীরা ওই কোম্পানির মুরগির বিষ্ঠা বিনামূল্যে নিয়ে বিক্রি করতেন। আ.লীগ সরকারের পতনের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা ওই কোম্পানির বিষ্ঠা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নেয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে মুরগির বিষ্ঠা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ায় জামায়াত। 

এই দ্বন্দ্বের জেরে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে দুটি বাস, একটি মাহিন্দ্রা, সিএনজিসহ দুই শতাধিক জামায়াত নেতাকর্মী সিপি বাংলাদেশ কোম্পানিতে ঢুকে ম্যানেজারের সঙ্গে অসদাচরণ করে দুই ট্রাক মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে যায়। এছাড়া কাহালগাঁও বাজারে দেশীয় অস্ত্র, গুলি, ককটেল নিক্ষেপ করে হামলা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এসব হামলার ভিডিও বিভিন্ন সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে

জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাজারে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাটসহ ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকের তালা ভেঙে ৫ লাখ টাকা লুট, শ্রমিক দল নেতা কাইয়ুম তালুকদারের ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ভাঙচুর, বাজারে থাকা ১১টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও ৫টি মোটরসাইকেল লুট করার ঘটনা ঘটে। 

ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকের ম্যানেজার মো. শামীম হক বলেন, আমি বিকেল ৪টার দিকে ব্যাংকে তালা বন্ধ করে যাই। রাত ১১টার দিকে জামায়াতের অন্তত ২০০ নেতাকর্মী বাজারে হামলা চালায়। এ সময় আমার ব্যাংকের তালা ভেঙে ৫ লাখ টাকা লুট করে।

গাজী কোম্পানির ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভ সুজন মিয়া বলেন, রাতে হঠাৎ জামায়াতের নেতাকর্মীরা হামলা করে। হামলায় আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট ও ভাঙচুর করে।

কাহালগাঁও বাজারের ইজারাদার আমিমুল ইসলাম বলেন, হামলার সময় আমি বাজারে ছিলাম। হঠাৎ জামায়াতের নেতাকর্মীরা হামলা ও ভাঙচুর করে। আমার মোটরসাইকেল লুট করে করে নিয়ে গেছে।

বাংলাদেশ কোম্পানির ম্যানেজার সাদিকুর রহমান বলেন, আমরা মুরগির বিষ্ঠা বিনামূল্যে দিয়ে দিই। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাদের নেতাকর্মীরা মুরগির বিষ্ঠা নিতেন। আওয়ামী লীগের পতনের পর বিএনপি নেতাকর্মীরা বিষ্ঠা নিচ্ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পর থেকে বিষ্ঠা নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। 

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি আমি ফুলবাড়ীয়া থানা পুলিশকে অবগত করেছি। প্রতি দেড় মাসে ৬টি শেড থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকার বিষ্ঠা উৎপাদন হয়।

এ বিষয়ে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ফজলুল হক শামীম ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, কাহালগাঁও বাজারে হামলা বা লুটপাটের ঘটনায় জামায়াত জড়িত নয়। উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই হীন সন্ত্রাসী ঘটনায় দলীয়ভাবে উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মো. আ. মজিদকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন ৭২ ঘণ্টার মধ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ও আইনগত সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক বলেন, এটি একটি সন্ত্রাসী ও ডাকাতি কার্যক্রম। জামায়াত যে একটি সন্ত্রাসী দল, এ ঘটনায় আবারও তা প্রমাণ হলো। বিএনপির পক্ষ থেকে এ ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। হামলায় জড়িত চারজনকে আটক করা হয়েছে।

ইউনূসকেও মাঠে নামার আহ্বান জানালেন নাহিদ ইসলাম

ইউনূসকেও মাঠে নামার আহ্বান জানালেন নাহিদ ইসলাম


 জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের উদ্বিগ্ন করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এখন বিএনপি মূল অধ্যাদেশগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। সংস্কার প্রশ্নে ড. ইউনূসকেও মাঠে নামার আহ্বান জানাচ্ছি। তার সরকারের উপদেষ্টাদেরও এ বিষয়ে মুখ খুলতে হবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সৌদি আরব থেকে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তাকে স্বাগত জানান দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিবসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।


নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেলেও জনগণ বিএনপির সঙ্গে নেই। কারণ তারা সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা নিজের ক্যারিয়ারে ফিরে যাবেন, তা হবে না। জনগণের কাঠগড়ায় আপনাদেরও দাঁড়াতে হবে।